কুরআনে বর্নিত কাহিনী। ৪। মূসা (আঃ) এবং বানী ইসরাঈল

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মূসার (আঃ) এর বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি? সে যখন আগুন দেখলো, তখন তার পরিবারবর্গকে বললো, তোমরা এখানে থাকো, আমি আগুন দেখেছি; সম্ভবতঃ আমি তোমাদের জন্যে তা হতে কিছু জ্বলন্ত আঙ্গার আনতে পারবো অথবা ওর নিকট কোন পথ প্রদর্শক পাবো।

অতঃপর সে যখন আগুনের নিকট আসলো তখন আহ্বান করে বলা হলোঃ হে মূসা (আঃ)! আমিই তোমার প্রতিপালক, অতএব তোমার জুতা খুলে ফেল, কারন তুমি পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় রয়েছো। এবং আমি তোমাকে মনোনিত করেছি; অতএব যা ওহী প্রেরণ করা হচ্ছে তুমি তা মনোযোগের সাথে শ্রবণ কর। আরো পড়ুন »

কুরআনে বর্নিত কাহিনী। ৩। জ্ঞানী খিজির (আঃ)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

স্মরণ কর সে সময়ের কথা, যখন মূসা (আঃ) তার সঙ্গীকে বলেছিলঃ দুই সমুদ্রের মধ্যস্থলি না পৌঁছে আমি থামবো না, আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকবো। তারা যখন উভয়ের সংগম স্থলি পৌঁছলো, তারা নিজেদের মাছের কথা ভুলে গেল; ওটা সুরঙ্গের মত পথ করে সমুদ্রে নেমে গেল।

যখন তারা আরো অগ্রসর হলো, মূসা (আঃ) তার সংগীকে বললোঃ আমাদের নাস্তা আন, আমরা তো আমাদের এই সফরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। সে বললোঃ আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন শিলাখণ্ডে বিশ্রাম করছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম? শয়তানই ওর কথা বলতে আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল; মাছটি আশ্চর্যজনকভাবে নিজের পথ করে নেমে গেল সমুদ্রে। মূসা (আঃ) বললো, আমরা তো এই স্থানটির অনুসন্ধান করছিলাম; অতঃপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চললো। আরো পড়ুন »

কুরআনে বর্নিত কাহিনী। ২। যুলকারনাইন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

তারা তোমাকে যুলকারনাইন সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করে; তুমি বলে দাওঃ আমি তোমাদের নিকট তার বিষয়ে বর্ণনা করবো।

আমি তাকে পৃথিবীতে কর্তৃত্ব দিয়েছিলাম এবং প্রত্যেক বিষয়ের উপায় ও পন্থা নির্দেশ করেছিলাম।

সে এক পথ অবলম্বন করলো। চলতে চলতে যখন সে সূর্যের অস্তগমন স্থানে পৌঁছলো তখন সে সূর্যকে এক পংকিল (কর্দমাক্ত) জলাশয়ে অস্তগমন করতে দেখলো এবং সে তথায় এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলো; আমি বললামঃ হে যুলকারনাইন! তুমি তাদের শাস্তি দিতে পার অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পার। সে বললোঃ যে কেউ সীমালংঘন করবে আমি তাকে শাস্তি দিবো, অতঃপর সে তার প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তিত হবে এবং তিনি তাকে কঠিন শাস্তি দিবেন। তবে যে বিশ্বাস করে এবং সৎকর্ম করে তার জন্য প্রতিদান স্বরূপ আছে কল্যাণ এবং তার প্রতি ব্যবহারে আমি নম্র কথা বলবো। আরো পড়ুন »

কুরআনে বর্নিত কাহিনী। ১। ঈসা (আঃ) এর জন্ম

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

(হে রাসুল (সাঃ)) বর্ণনা কর এই কিতাবে উল্লেখিত মারইয়ামের কথা, যখন সে তার পরিবারবর্গ হতে পৃথক হয়ে নিরালায় পূর্ব দিকে এক স্থানে আশ্রয় নিলো। অতঃপর তাদের হতে নিজেকে আড়াল করবার জন্যে সে পর্দা করলো; অতঃপর আমি তার নিকট আমার রূহকে (জিবরাঈল (আঃ)) পাঠালাম, সে তার নিকট পূর্ণ মানবাকৃতিতে আত্মপ্রকাশ করলো।

মারইয়াম বললোঃ তুমি যদি আল্লাহকে ভয় কর – তবে আমি তোমা হতে দয়াময়ের আশ্রয় নিচ্ছি। সে বললোঃ আমি তো শুধু তোমার প্রতিপালক প্রেরিত তোমাকে এক পবিত্র পুত্র দান করবার জন্য। মারইয়াম বললোঃ কেমন করে আমার পুত্র হবে! যখন আমাকে কোন পুরুষ স্পর্শ করে নাই ও আমি ব্যভিচারিণীও নই। সে বললোঃ এই রূপই হবে; তোমার প্রতিপালক বলেছেনঃ এটা আমার জন্য সহজসাধ্য এবং তাকে আমি এই জন্যে সৃষ্টি করবো, যেন সে হয় মানুষের জন্যে এক নিদর্শন ও আমার নিকট হতে এক অনুগ্রহ; এটা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার। আরো পড়ুন »

মরুজীবন। ৮। লাল বাহিনীর খপ্পরে

ভোর বেলা গোসল করে রেডি হয়ে মোবাইলটা খালি পকেটে নিয়ে যাচ্ছি মসজিদের দিকে ফজরের নামাজ পড়ার জন্য। একটু সামনে যেতেই দেখি লাল পুলিশের (আই.এস.এফ) গাড়ী একটা ঢুকছে গলির মাথায়। পাশের রোড দিয়ে চলে যাব কিনা চিন্তা করেও আবার মত পরিবর্তন করে দেখি নাই এমন একটা ভাব নিয়ে সোজা সামনে যেতে থাকি। আরো পড়ুন »

সামরিক যুদ্ধের পাশাপাশি চলছে সাইবার-যুদ্ধ

প্রাক্তন সোভিয়াত স্টেট জর্জিয়া এবং রাশিয়ার মধ্যে চলছে সামরিক যুদ্ধ। জর্জিয়া চুক্তি ভঙ্গ করে তাদের একটি রাশিয়া-সমর্থিত স্বাধীনতাকামী প্রদেশ দক্ষিন ওশেতিয়া উদ্ধারে সামরিক অভিযানে নামার পর রাশিয়ার সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। সামরিক যুদ্ধের পাশাপাশি তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে রাশিয়ান হ্যাকারদের সাথে ভয়ঙ্কর সাইবার যুদ্ধের। তারা একে একে জর্জিয়ার সরকারী এবং বানিজ্যিক ওয়েবসাইটগুলোর নিয়ন্ত্রন নিয়ে নিচ্ছে। আরেকটি প্রাক্তন সোভিয়েত স্টেট ইস্টোনিয়া এই সাইবার যুদ্ধ মোকাবেলায় জর্জিয়াকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে। তাদের দু’জন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ (হ্যাকার!) খুব শ্রীঘ্রই জর্জিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে। আরো পড়ুন »

একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং আওয়ামীলীগের সেনা আতঙ্ক

আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেছেন, তারা জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন এবং তাদের হাতে গ্রেফ্তারী ক্ষমতা প্রদানের সম্পূর্ণ বিরোধী, এবং জরুরী আইনের অধীনে তারা কোনভাবেই জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। এর পেছনের তার যুক্তি হলো, গ্রামের মানুষ আর্মিকে ভয় পায়। নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হলে মানুষ ভয়ে ভোট দিতে আসবে না। জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে অন্য কোন নির্বাচনেও তারা কোন ভাবেই অংশগ্রহণ করবে না। সাধারন ভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে, আওয়ামীলীগের ভয়টা আসলে কোথায়? আরো পড়ুন »

মরুজীবন-৭: তুমারা বাল গিরতাহে?

দেশে থাকতে হিন্দি সিনেমা কোন কালে তেমন না দেখার কারনে হিন্দিটা প্রায় জানতামই না। কাতারে আসার পর দেখি বাঙ্গালী আর আরব ছাড়া আর মোটামুটি সবার সাথেই হিন্দিতে কথা বলতে হয়। এখানে উপমহাদেশের মানুষের কমন ভাষা হচ্ছে হিন্দি। প্রথম প্রথম হিন্দি জানিনা বললে সবাই মোটামুটি টিটকারী করতো। বাঙ্গালী হিন্দি জানে না এইটা আবার কেমন কথা। মনে হয় যেন বাঙলা না, হিন্দিটাই বাংলাদেশের মাতৃভাষা! যদিও হিন্দিটা এখন ভালোমতই রপ্ত হয়ে গেছে, তারপরেও কখনো কখনো কিছু শব্দ নিয়ে বেশ মুশকিলে পরে যেতে হয়। আরো পড়ুন »

কুয়েত ফেরত বাঙ্গালী শ্রমীকদের যে কারনে আমি সহমর্মীতার বদলে জুতা-পেটা করার পক্ষপাতি

কুয়েত থেকে ঢলের মতো ফেরত আসছে বাঙ্গালী শ্রমীক। কুয়েত সরকার নাকি যাকে সামনে পাচ্ছে ধরে ধরে দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে। এদের শরীরে মারের চিহ্ন দেখে সবাই “আহারে! কি অত্যাচারি দেশ!” বলে সমবেদনা জানাচ্ছে। পত্রিকায় প্রতিদিন এদের উপর অত্যাচারের ছবি আসছে। ব্লগাররা সমবেদনা জানিয়ে অনবরত পোষ্ট দিচ্ছে। অনেকেই দেখলাম মন্তব্য করেছে “গালফ ওয়ারে আমরা কুয়েতকে সৈন্য দিয়ে সাহায্য করেছিলাম, এখন কুয়েত সরকার তার প্রতিদান দিচ্ছে।” এই ধরনের মন্তব্যকারীরা জানেও না বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমীকেরা কি ধরনের কাজ-কর্মে লিপ্ত থাকে, এবং এসব দেশের আইন-কানুন কেমন। ব্যাক্তিগতভাবে এই সব ফেরত পাঠানো শ্রমীকদের প্রতি আমি সহমর্মীতো নই-ই, বরং জুতাপেটা করার পক্ষপাতি। আরো পড়ুন »

মরুজীবন-৬: ফ্রি স্টাইল ফিলিপিনো

ফিলিপাইন দেশটা সম্বন্ধে আমার ধারনা ছিল এইটুকুই যে যেকোন চ্যাটরুমে ঢুকলে অসংখ্য ফিলিপিনো মেয়ের দেখা পাওয়া যায়, এবং এদের সাথে জমানো যায় খুব সহজে। কিন্তু এরা আসলে কি বস্তু সে সম্বন্ধে বিস্তারিত তেমন কোন ধারনা ছিল না। কাতারে এসে দেখি এদের সংখ্যা অগনিত। ফরসা, ছোট-খাট সাইজ, চেহারা চাইনিজদের মতো। ভীষণ স্মার্ট এবং শিক্ষিত। নিজস্ব ভাষা ফিলিপিনা হলেও ইংরেজিতেও এরা সমানভাবে পারদর্শী। এদেশের যতো ভালো ভালো শো-রুম আছে সেগুলোর সেলসম্যান সব ফিলিপিনো। হেভি ট্রাক এবং লরীর ড্রাইভারও আছে কিছু কিছু। পাবলিক বাসের ড্রাইভার প্রায় সবই ফিলিপিনো। আরো পড়ুন »

পরবর্তী পৃষ্ঠা »